অধিকাংশ রোগীর সঙ্গে একজন আত্মীয় যান। যাওয়ার আগে ঠিক করে নেওয়া — সেই মানুষটি কী করতে যাচ্ছেন — এটিই ভরসা আর দুজন দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ফারাক।
ধৈর্য দেখে বাছুন, বয়স দেখে নয়
কাজের সঙ্গী তিনিই, যিনি লম্বা দিন বসে থাকতে পারেন, নোট নিতে পারেন, আর সংকোচ ছাড়াই একই প্রশ্ন দুবার করতে পারেন। তিনি সবসময় বড় আত্মীয়টি নন — উপযুক্ততার বদলে মর্যাদা দেখে বাছাই একটি সাধারণ ও এড়ানো যায় এমন ভুল।
তাঁকে দায়িত্ব দিন
- প্রতিটি পরামর্শে যা বলা হয় তা লিখে রাখা — যে শব্দগুলো কেউ বোঝেননি সেগুলোসহ।
- কাগজপত্র একসঙ্গে রাখা — পাসপোর্ট, রিপোর্ট, প্রাক্কলন, রসিদ।
- প্রতিবার "এরপর কী" জিজ্ঞেস করার মানুষটি হওয়া।
তাঁর জন্য কী আয়োজন করবেন
সঙ্গীর নিজের ভিসা লাগে, আর আমন্ত্রণপত্রে তাঁর নাম থাকা উচিত। থাকার জায়গা সস্তা-কিন্তু-দূরের বদলে হাসপাতালের নাগালে হওয়া ভালো, কারণ পথটা দিনে দুবার, দুই সপ্তাহ ধরে। ওয়ার্ডে আত্মীয় রাত কাটাতে পারবেন কি না, হাসপাতালভেদে আলাদা — অনুমান না করে জিজ্ঞেস করুন।
কঠিন বিষয়গুলো যাওয়ার আগেই ঠিক করে নিন
রোগী না পারলে ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলবেন কে। বাকি পরিবারকে জানাবেন কে, আর কতবার। রোগী কী জানাতে চান, কী চান না। বাড়িতে এসব আলাপ সংক্ষিপ্ত, হাসপাতালের করিডরে ভীষণ কঠিন।
সঙ্গীরও যত্ন নিন
তিনি ঠিকমতো খান না, ঘুমান না, অবিরাম দুশ্চিন্তা করেন — অথচ কেউ তাঁর খবর নেয় না। যাত্রা দীর্ঘ হলে এমন একটি দিন রাখুন, যেদিন অন্য কেউ রোগীর পাশে বসবেন।
এই প্রবন্ধগুলো বিদেশে চিকিৎসার আয়োজন নিয়ে সাধারণ নির্দেশনা। এগুলো চিকিৎসাগত পরামর্শ নয়, আর আপনার রিপোর্ট পড়েছেন এমন চিকিৎসকের বিকল্প এখানে কিছুই নেই।